চর্যাপদে কিভাবে নিম্নবর্গীয় মানুষের সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়?

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদে ঐ সময়ের মানুষের সমাজচিত্র, ধর্মমত, সাধনতত্ব ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তাদের লেখা পদগুলো থেকেই এইসব ধারণার উৎপত্তি। পদগুলো থেকে ধারণা করা ছাড়া কোন উপায় নেই। আমাদের পক্ষে সম্ভব না ঐ যুগে গিয়ে সত্যতা যাচাই করে আসা। এটিও সত্যি যে কোন ঘটনার সত্যতা যাচভাই এর জন্য সেই যুগে গিয়ে যাচাই করতে হয় না। প্রামাণ্য দলিলগুলো বিশ্লেষণ করলেও বোঝা যায়।

চর্যাপদের সময়ে নিম্নবর্গীয় মানুষ বা, অন্তজশ্রেণী বলতে যাদের বোঝানো হত তাদের অনেকের অস্তিত্ব এখনো আছে। এরা হচ্ছে- ডোম, চন্ডাল, মুচি, কামলি, ব্যাধ, জেলে, ধুনুরি, তাতি, পতিতা ইত্যাদি। ঐ সময়ের গানের বর্ণনায় ১৫ টি রাগের পরিচয় পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন-

  1. বাংলা ভাষা কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  2. চর্যাপদের পদকর্তাদের নাম জানতে চাই?

ভুসুকুপার বাঙালি হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেয়ার সময় চন্ডালের কথা বর্ণনা করেছেন এভাবে- আজি ভুসুক বাঙালি ভইলি, ণিঅ ঘরণি চন্ডালে লেলি। এরকম অন্যান্য পদকর্তারাও তাদের পদগুলোর মাধ্যমে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বিভিন্ন পরিস্থিতি ফুটিয়ে তুলেছেন  তাদের রচিত কাব্যের মাধ্যমে।

2 thoughts on “চর্যাপদে কিভাবে নিম্নবর্গীয় মানুষের সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।